শার্শার সর্বজন শ্রদ্ধেয় পন্ডিত আবু আনসারী আর নেই



         ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের তৎকালিন বাংলা বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মদ
শহিদুল্লাহ’র স্নেহধন্য ছাত্র যশোরের শার্শা নাভারণের সর্বজন শ্রদ্ধেয়
পন্ডিত আবু আনসারী আর নেই।
বৃহস্পতিবার বিকালে বার্ধক্যজনিত
কারণে নাভারণ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে—রাজেউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩বছর। তিনি ৩ পুত্র ২কন্যা ও স্ত্রীসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

আমরা শার্শা থানা নেটওয়ার্ক'র পক্ষ দ্বারা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি! আমিন

সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ ১৯৫৬ সাল
থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৪ বছর তিনি নাভারণ হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। ইসলামিক চেতনায় সাহিত্যিক ছিলেন তিনি। ‘জীবন ও মহাকাশ’ নামক তার একটি বই প্রকাশ করেছে ইসলামি ফাউন্ডেশন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো শার্শা এলাকাজুড়ে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নাভারণ হাইস্কুল মাঠে তার নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
উল্লেখ্য বর্ণাঢ্য চরিত্রের অধিকারী
আবু আনসার পন্ডিত নিজের জীবন
আচারে আদর্শ প্রতিষ্ঠায় নিরলস
সংগ্রামে সৎ ও সহজ সরল জীবন যাপন করেছেন। সুদীর্ঘ জীবন সংগ্রামে ও সমাজ জাগরণে কাজ করেছেন। আবু আনসারী ৬টি ভাষা আয়ত্বসহ নিজেকে মেলে ধরেন সমাজ বিনির্মানে।

Sharsha ( শার্শা ):   যশোরকে বিভাগ ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন (ভিডিওসহ)

PUBLISHED: 25/04/2015,
Share

যশোর প্রতিনিধি : যশোরকে বিভাাগ করার দাবিতে আজ শনিবার সকালে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যশোর বিভাগ আন্দোলন পরিষদের উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রবিউল আলম, ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এনামুল হকসহ যশোরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের যশোরবাসী মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধন থেকে বক্তরা বলেন, যশোরে একটি ঐতিহাসিক জেলা হলেও উন্নয়নের দিকে পিছিয়ে। যশোর মহাকুমা ভেঙ্গে যেসব জেলা হয়েছে তাদের প্রভূত উন্নয়ন হয়েছে। অথচ যশোরে দেশের বৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দর, নওয়াপাড়া নৌবন্দর, বিমানবন্দর, সরকারি-বেসরকারি আঞ্চলিক অফিস থাকলেও এ জেলা অবহেলিত রয়েছে। ফলে উন্নয়নের স্বার্থে যশোরকে বিভাগ ঘোষণা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।


রাজধানীসহ সারাদেশে আজও মৃদু ভূমিকম্প

      রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আজও (রোবাবর) মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। রোববার দুপুর ১ টা ১২ মিনিটে ঢাকায় ভূমিকম্পের এ ঝাঁকুনি অনুভূত হয়।

এর উৎপত্তিস্থল নেপালের কেদরির ১৭ কি.মি. দক্ষিণে। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৭।

উল্লেখ্য, এরআগে গতকালও রাজধানীসহ সারাদেশে ভূমিকম্পের অনূভূত হয়েছে। এতে বাংলাদেশে ৪ জন নিহত হয় এবং নেপালে এ প্রর্যন্ত প্রায় ২০০০ বেশি মানুষ নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এর সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানাগেছে।


নেপাল নিমেষে মৃত্যুর দেশ, নিহত ১৮০০


 যেন ফিরে এল ৮১ বছর আগে জানুয়ারির সেই দুপুর! ১৯৩৪-এর এই ভরদুপুরে নেপাল কেঁপে উঠেছিল এক বিধ্বংসী ভূমিকম্পে। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৮.১। নেপাল ও বিহার মিলিয়ে মারা গিয়েছিল কয়েক হাজার মানুষ। শনিবার দুপুরে নেপালে জন্ম নেয়া ভূমিকম্প অবশ্য সেই মাত্রা পেরোতে পারেনি। মার্কিন ভূতত্ত্ব সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, এ দিন পোখরার লোপজাঙে জন্ম নেয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭.৯। মূল ভূমিকম্পের পরে অন্তত ১৬ বার আফটার-শকে কেঁপে উঠেছে মাটি। এ দিনের ঘটনার পরেই ভারতের ন্যাশনাল জিওফিজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট দাবি করেছে, ১৯৩৪ সালের পর নেপালের ইতিহাসে এটাই সব থেকে বড় ভূমিকম্পের ঘটনা। শনিবারের ভূমিকম্পে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাঠমান্ডু-সহ নেপালের বহু এলাকা। সংবাদ সংস্থার খবর, সকাল পর্যন্ত নেপালে অন্তত ১৮০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জন ভারতীয়। আহত কয়েক হাজার। ভারতে মোট ৫১ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, যাদের মধ্যে বিহারেই মারা গিয়েছেন ২৫ জন। কাঠমান্ডুতে ইউনেস্কো স্বীকৃত ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ দরবার স্কোয়ার চুরমার হয়ে গিয়েছে। ভেঙে গেছে দু’শো বছরের পুরনো ধরহরা মিনার। তার ভিতরেও অনেকে আটকে ছিলেন। তবে ঐতিহ্যশালী পশুপতিনাথ মন্দিরটি সম্পূর্ণ অক্ষত আছে। উত্তর বিহারের বিভিন্ন জেলায় বহু ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 
মুশফিকের কাছে মাশরাফির চাওয়া


ঢাকা: বিশ্বকাপ থেকেই বাংলাদেশ দল ভালো পারফরম্যান্স করে আসছে। সে ধারাবাহিকতা তারা পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং টি২০ সিরিজেও অব্যাহত রেখেছিল। ওয়ানডে এবং টি২০’র পর এবার টাইগারদের লক্ষ্য টেস্ট সিরিজ। বিজয়ের ধারাবাহিকতা টেস্টেও ধরে রাখতে পারবে বলে দারুণ আশাবাদী মাশরাফি বিন মর্তুজা।

বাংলাদেশেরে ওয়ানডে অধিনায়কের বিশ্বাস টেস্টে মুশফিকুর রহিমের দল পাকিস্তানের সঙ্গে ভালো করতে পারবে। আর এ কাজটি করতে পারলে বাংলাদেশের অনেক বড় অর্জন হবে বলে মনে করছেন মাশরাফি।

প্রথম দুই ফরম্যাটের ক্রিকেট জয় পাওয়া হয়ে গেছে মাশরাফিদের। এখন বাকী আছে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। যার প্রথমটি ২৮ এপ্রিল থেকে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে শুরু হবে। ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দল ভালো করলেও টেস্ট ম্যাচটা একটু চ্যালেঞ্জিং হবে বলেই মানছেন মাশরাফি। তবে, ওয়ানডের সাফল্যের কারণেই বাংলাদেশ এবার টেস্টেও ভালো করবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, ‘টেস্টে এই মুহুর্তে একটু চ্যালেঞ্জিং হবে। কারণ টেস্ট ম্যাচে সবাই একটু চাপে থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। পাকিস্তানের টেস্ট দলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এসেছে। দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মিসবাহ ও ইউনিস। অভিজ্ঞরা কিছুটা হলেও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬ বছর পর ওয়ানডেতে জয় পেয়েছে টাইগারা। তার ওপর ওয়ানডে সিরিজে (৩-০) তে হারার পর একমাত্র টি২০ ম্যাচেও হেরেছে সফরকরীরা। তাতে করে এবার টেস্টে ভালো করার সম্ভাবনাটাও জেগেছে বলে দাবি করলেন মাশরাফি, ‘তবে এবার আমি এই মুহুর্তে জয়ের কথা বলবো না। আমারাও এক সময় খারাপ করেছি। এক সময়ে আমরাও জিততাম না। এখন আমরা আমাদের মাঠে প্রায় প্রতিটি ম্যাচই জিতি।’

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ যে কোন দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখে। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে এখনও সেভাবে বাংলাদেশ একটি দল হয়ে উঠতে পারেনি। এদিকটা নিয়েই ভয় মাশরাফির, ‘যদিও টেস্ট ক্রিকেট এখনো আমরা শিখছি। আমার কাছে মনে হয় টেস্টে ড্র করতে পারলেই আমাদের সেরা ফলাফল হবে। এখন আমাদের ফোকাস সেদিকেই থাকবে। তবে এটা পুরোপুরো টিমের পরিকল্পনার নির্ভর করবে। কোচ ও অধিনায়ক কি পরিকল্পনা করবে, সেটা তাদেরই চিন্তা। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার চাওয়াটা হচ্ছে, যদি টেস্ট সিরিচ আমরা ড্রও করতে পারি। তাহলে সেটা আমাদের সেরা ফলাফল হবে।’


Thank you for contacting us. We will get back to you as soon as possible
Oops. An error occurred.
Click here to try again.